slide show

জানতে গেলে পড়তে হয়, সায়েন্টিফিলিয়া পড়ুন এবং অন্যকেও পড়ার সুযোগ করে দিন 

সূচিপত্র

কল্পবিজ্ঞান

গল্পবিজ্ঞান

বিজ্ঞান নিবন্ধ

পোড়োদের পাতা

বিজ্ঞানের চাঞ্চল্যকর সংবাদ

সেপসিসের চিকিৎসায় আশার আলো

দীপঙ্কর

সংক্রমণ অনেক সময় এমন জটিলতা তৈরি করে যা জীবনের পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায়। সেপসিস তখনই হয় যখন শরীর সংক্রমণকে প্রতিরোধ করার জন্য যে রাসায়নিক রক্তে ছাড়ে তা যদি সারা শরীরে এমন প্রদাহ তৈরি করে যা জলপ্রপাতের মত শরীরে নানা পরিবর্তন ঘটিয়ে এর বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে নষ্ট করে। বেশীর ভাগ সময় এটি এতই মারাত্মক হয় যে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে। বিগত কয়েক দশক ধরে নানা রকম গবেষণা হলেও এর নিরাময়ের কোন  রাস্তা মেলে নি। সম্প্রতি ক্যালিফরনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ মেডিসিনের বিজ্ঞানী মীরা নায়ার এবং অ্যাডাম গোডজিক সেপসিসের সঙ্গে সম্পর্ক আছে এমন বায়োমার্কার, তার পথ এবং ইমিউন কোষের গতিবিজ্ঞান চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁরা দেখেছেন রক্তের কোষে থাকা এই বায়োমার্কার প্রোটিন CD52 এবং প্রোটিন S100A9 প্রথম ছ ঘণ্টার মধ্যে কেমন পরিবর্তিত হয় তার উপরেই নির্ভর করে সেপসিস মারাত্মক হয়ে রোগীকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে দেবে কি না। তাঁরা আরও দেখেছেন CD52 এর পরিবর্তন রোগীকে নিয়ে যায় নিরাময়ের দিকে। এটাও দেখা গেছে এটি প্রতিরোধী ইমিউন কোষকে সক্রিয় করে তোলে। অন্যদিকে S100A9  এর পরিবর্তন রোগীকে প্রাণনাশক সেপসিসের দিকে নিয়ে যায়। বিজ্ঞানী মীরা নায়ার ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের এই গবেষণা ‘জার্নাল অফ লিউকোসাইট বায়োলজি’তে প্রকাশ করেছেন।  বিজ্ঞানী ও  চিকিৎসকদের ধারণা এই  গবেষণা ভবিষ্যতে সেপসিসের চিকিৎসায় বিপ্লব আনবে।           

আগামী কয়েক সপ্তাহে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে অনেকগুলি অ্যাস্টারয়েড

আগামী কয়েক সপ্তাহে গীজার পিরামিডের থেকেও বড় অনেকগুলি অ্যাস্টারয়েড এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। এমনটাই জানিয়েছেন নাসার ‘সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজ’। প্রথমেই আসছে অ্যাস্টারয়েড ২০২১এস এম ৩। ৫২৫ফুট ব্যাসের এই অ্যাস্টারয়েড গীজার পিরামিডের ( ৪৮২ ফুট দৈর্ঘ্যের) থেকেও বড়। নাসার সংজ্ঞা অনুযায়ী ১২০ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে এসে পড়া সমস্ত বস্তুকেই বলা হয় পৃথিবীর কাছের বস্তু। ২০২১এস এম ৩ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে যখন থাকবে তখন তার দূরত্ব হবে মাত্র ৩.৬ মিলিয়ন মাইল। নভেম্বর মাসের মধ্যে ২০২১এস এম ৩ থেকেও বড় আরও সাতটি অ্যাস্টারয়েড পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসবে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অ্যাস্টারয়েড ২০০৪ইউ ই (ব্যাস ১২৪৬ ফুট) যা প্রায় আমেরিকার এম্পায়ার বিল্ডিং এর মত বড় তা ১৩ ই নভেম্বর চলে আসবে পৃথিবীর ২.৬ মিলিয়ন মাইল দূরত্বে। পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে দেখা যাবে অবশ্য ১৯৯৬ ভি বি ৩ অ্যাস্টারয়েডকে, মাত্র ২.১ মিলিয়ন মাইল দূরত্বে। তবে আশার কথা নাসা জানিয়েছে এই অ্যাস্টারয়েডগুলি কোনটাই পৃথিবীকে আঘাত করবে না। 


  • সম্পাদক – ডঃ দীপঙ্কর বসু
  • সহকারী সম্পাদক – দেবাশীস দে এবং ডঃ শ্রুতিসৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়
  • উপদেষ্টা মণ্ডলী – সুজিতকুমার নাহা, পিনাকীশঙ্কর চৌধুরী, কমলবিকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডঃ জয়শ্রী পট্টনায়ক, সৌম্যকান্তি জানা, গার্গী বসু 
  • পত্রিকার নামকরণ – ডাঃ অনন্যা বসু
  • পত্রিকার নাম অলংকরণ এবং প্রচ্ছদ – সংহিতা দে
  • কারিগরি সহায়তা – DWEB CONSULTANTS PVT. LTD.
Subscribe Free Newsletters
E-Mail:
Refer your Friend
Tell a Friend
Follow us
Copyright © 2020. www.scientiphilia.com emPowered by dweb